ব্র্যাক হোপ ফেস্টিভ্যাল যেন রোবটরাজ্য
তরুণ প্রজন্মের মাঝে আশা ও অনুপ্রেরণার জাগরণ ঘটাতে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তীতে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে চলেছে ব্র্যাক হোপ ফেস্টিভ্যাল ২০২৩। ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’, ‘সম্ভাবনার শক্তি’ এবং ‘যে পৃথিবী আমরা গড়তে চাই’ এই তিনটি প্রতিপাদ্যে সাজানো হয়েছে তিন দিনের অনুষ্ঠানমালা।
বাংলাদেশের হৃদয় হতে উৎসারিত এ আয়োজনে পার হচ্ছে গোধূলি। শনিবার ছিলো উপস্থাপনার ‘সম্ভাবনার শক্তি’। আর শেষ দিনের অনুষ্ঠান ‘আকাঙ্ক্ষিত পৃথিবী গড়া’।
বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য’ নিয়ে শুরু হওয়া এই উৎসবে সবার নজর কেড়েছে ‘রোবো সকার’ ও মহাকাশের রোবট “দিশারী”; “মঙ্গল তরী”; “ডুবুরি” এবং “অন্বেষা”র মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন।
মঙ্গল তরী যখন মাঠের ঘাসে ঘুরোঘুরি করছিলো তখন ঢোল বাদকেরা মেতে ওঠে আনন্দ উৎসবে। ছুটির দিন শুক্রবার শিশুরা মেতেছে রোবটদের সঙ্গে। ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদের স্বাগত বক্তব্যে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠানপর্ব। বাক-প্রতিবন্ধীদের যোগাযোগের মাধ্যম ইশারা ভাষায় পরিবেশনা করেন আহসান হাবীব ও তার দল।
ব্র্যাকের আলট্রা-পুওর গ্র্যাজুয়েশন ও মাইক্রোফাইন্যান্সের উদ্যমী নারীদের সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প ছাপিয়ে রোবট প্রযুক্তির বিস্ময় যেনো বেশি টানছে উত্তর প্রজন্মকে। রোবটের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন কেবল হাঁটতে শেখা শিশুটাও।
ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি, অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো সামাজিক পরিবর্তন সম্ভব নয়। বাধা মোকাবেলায় নতুন ও উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে আশা ও অনুপ্রেরণার জাগরণ হোপ ফেস্টিফ্যালের লক্ষ্য।







